• মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ২০ ১৪৩০

  • || ২২ শা'বান ১৪৪৫

সর্বশেষ:
ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড অনুসরণ নিশ্চিত করুন: প্রধানমন্ত্রী কোনো অজুহাতেই যৌন নিপীড়ককে ছাড় নয়: শিক্ষামন্ত্রী স্পর্শকাতর মামলার সাজা নিশ্চিত করতে হবে: আইজিপি চলতি মাসেই একাধিক কালবৈশাখীর শঙ্কা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশদ্রোহীরা মানুষকে কষ্ট দেয়: নাছিম

ডোমারে মুখে কালো রং মেখে ডাকাতি করতো তারা   

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৯ মে ২০২৩  

 
নীলফামারীর ডোমারের এক বাড়িতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া ১০ হাজার টাকা, মোবাইলসহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নীলফামারীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- শ্রী অনিল চন্দ্র দাস (২৯), রঙ্গিয়া দাস (৫০) এবং নজু মামুদ ওরফে নজরুল (২৭)। তারা সবাই নীলফামারী জেলার বাসিন্দা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গত ৩০ এপ্রিল রাতে আট থেকে ১০ জনের একটি ডাকাতদল মুখে কালো রং মেখে মাস্ক পরে ডোমারের ছোট রাউতা এলাকার একটি বাড়িতে দরজা ভেঙে প্রবেশ করে। এরপর বাড়ির লোকজনদের ছুরি দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ এক লাখ ৮৮ হাজার টাকাসহ স্বর্ণালংকার, চার ভরি রূপার গহনা, কাসার প্লেট তিনটি, কাসার বাটি চারটি, কাসার গ্লাস চারটি এবং পাঁচটি মোবাইল ফোন লুট করে চলে যায়।

খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় গত ১ মে অজ্ঞাত ১২ থেকে ১৪ জন আসামির বিরুদ্ধে ডোমার থানায় ডাকাতি মামলা দায়রে করা হয়। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাসুদ করিমকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তদন্ত কাজে সহায়তার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। মামলাটিকে চাঞ্চল্যকর হিসেবে গ্রহণ করে আমি নিজে তদারকির দায়িত্ব গ্রহণ করি। প্রযুক্তিসহ সবার সহযোগিতায় ঘটনার পর থেকে একটানা অভিযান পরিচালনা করে গত ৭ মে নীলফামারীর সিংদই জেলেপাড়া থেকে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য শ্রী অনিল চন্দ্র দাসকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার নিকট হতে লুট করা দশ হাজার টাকা, একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে আসামি অনিল চন্দ্র দাস তিনদিনের পুলিশ রিমান্ডে রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তার নিকট থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

মোস্তাফিজুর রহমান আরো বলেন, গ্রেফতারকৃত অনিল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে নীলফামারীসহ বিভিন্ন জেলায় চারটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। অনিল চন্দ্র দাসের তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ডোমারের ছোট রাউতা এলাকার রঙ্গিয়া দাসকে (৫০) গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। রঙ্গিয়া দাস ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন।

রঙ্গিয়া দাসের বিরুদ্ধে নীলফামারী জেলায় আরো একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া ৮ মে নীলফামারীর কালীতলা বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য নজু মামুদ ওরফে নজরুলকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি কাসার প্লেট, দুইটি কাসার বাটি ও একটি কাসার গ্লাস উদ্ধার করা হয়। লুটের অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।