• রোববার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • চৈত্র ৩০ ১৪৩০

  • || ০৪ শাওয়াল ১৪৪৫

পল্টনে পুলিশ হত্যার অভিযোগে নীলফামারীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৪ মার্চ ২০২৪  

২৮ অক্টোবর ঢাকার পল্টনে বিএনপির সমাবেশে পুলিশের ওপর হামলা ও হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক আসামি আলমগীর ইসলামকে (৩৫) নীলফামারীর ডিমলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৪মার্চ) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নীলফামারীর পুলিশ সুপার গোলাম সবুর।

এর আগে ভোরে উপজেলার বাবুরহাট এলাকা থেকে তাকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও ডিএমপির সহযোগিতায় গ্রেপ্তার করে ডিমলা থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার আলমগীর ইসলাম ওই এলাকার আমিরুল ইসলামের ছেলে ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ডিমলা উপজেলা শাখার সদস্য সচিব। হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেপ্তার এড়াতে গা ঢাকা দিয়ে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেছেন এবং বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহার করতেন।

পুলিশ সুপার জানান, গতবছরের ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশ চলাকালে দায়িত্ব পালন করছিলেন ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম শাখার কনস্টেবল আমিরুল পারভেজ। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। আমিরুলকে একা পেয়ে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে হত্যা করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। হত্যাকাণ্ডের সরাসরি জড়িত ছিলেন আলমগীর, সেটা গোয়েন্দা তথ্যে বেড়িয়ে এসেছে। আমিরুলকে পিটিয়ে হত্যার সময় সংগ্রহকৃত ছবিতেও স্পষ্টভাবে তাকে দেখা গেছে।

পুলিশ সুপার গোলাম সবুর বলেন, আজ ভোরে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও ডিএমপির সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় ডিমলা থানা পুলিশ। আলমগীরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশের দিন পুলিশের ওপর নৃশংস হামলায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে। সেখানে ডিএমপির সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশ চলাকালে কাকরাইল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে সেই সংঘর্ষের জেরে বিএনপির মহাসমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়। দফায় দফায় চলতে থাকে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এ সময় এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। পরদিন সকালে পল্টন থানায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১৬৪ জনের নামে মামলা দায়ের করেন ডিবির মিরপুর বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুক মিয়া।