ব্রেকিং:
দেশে নতুন করে লকডাউনের কোন চিন্তা-ভাবনা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • সোমবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৮

  • || ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

সর্বশেষ:
অস্ত্র প্রতিযোগিতার পরিবর্তে শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ুন- প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে মৈত্রী দিবস পালন করবে ঢাকা-দিল্লি রংপুরে এখন মঙ্গা নেই, উন্নয়ন দৃশ্যমান: বাণিজ্যমন্ত্রী হাবিপ্রবিতে ইউনিটভিত্তিক ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু ট্রাকচাপায় ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি নিহত

আন্দোলনের ডাক দিয়ে বাসায় ঘুমান বিএনপি নেতারা 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর ২০২১  

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি না মিললে লাগাতার আন্দোলনের ডাক দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অথচ হুমকির পর তিনিসহ কেন্দ্রীয় নেতারা রাজপথে না এসে বাসায় ঘুমাচ্ছেন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন দলটির একাংশের নেতাকর্মীরা।

আন্দোলনের ডাক দিয়ে বিএনপি নেতাদের বাসায় ঘুমানোর প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেন নেতাকর্মীরা।
জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে সোমবার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা এ গণ-অনশন থেকে বলে দিতে চাই যে, খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। নতুবা গণ-অনশনের পর দুর্বার আন্দোলন হবে। 

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের পরদিন মঙ্গলবার সকালে মিরপুর ১০ নম্বর আল-হেলাল হাসপাতালের সামনে থেকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মিছিল বের করেন। মিছিলটি শেওড়াপাড়া পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়। 

বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয়া নেতাকর্মীরা বলেন, সমাবেশে বক্তব্যের সময় সিনিয়র নেতারা আগ বাড়িয়ে কথা বলতে পছন্দ করেন। কিন্তু কাজের বেলায় তারা শূন্য। সিনিয়র নেতারা বড় সমাবেশ দেখলে মাইক ধরে নেতৃত্ব জাহির করতে চান। বেগম জিয়া এতদিন ধরে বন্দি। কিন্তু আমাদের মহাসচিব এসি রুমে বসে সংবাদ সম্মেলনের বাইরে কিছুই করেননি। এখন কর্মীরা রাজপথে নেমে আসায় তিনি আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছেন। কিন্তু হুমকি দিয়ে পরদিন মাঠে তার উপস্থিতি নেই। আন্দোলনের ডাক দিয়ে মহাসচিব বালিশে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছেন।

তারা আরো বলেন, সুবিধাবাদী নেতারা মাঠে না নেমেও বড় বড় পদ দখল করে রেখেছেন। শীর্ষ নেতৃত্ব এসব বিষয়ে যদি সচেতন না হন তাহলে আন্দোলন সফল হবে না।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, দলের খারাপ সময়ে এসে অপরের বিরুদ্ধে না বলে ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি। সিনিয়র নেতারা এভাবে জীবনযাপন করলে কর্মীদের মনোবল ভেঙে যাবে।