• মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ২১ ১৪৩০

  • || ২৩ শা'বান ১৪৪৫

সর্বশেষ:
ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড অনুসরণ নিশ্চিত করুন: প্রধানমন্ত্রী কোনো অজুহাতেই যৌন নিপীড়ককে ছাড় নয়: শিক্ষামন্ত্রী স্পর্শকাতর মামলার সাজা নিশ্চিত করতে হবে: আইজিপি চলতি মাসেই একাধিক কালবৈশাখীর শঙ্কা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশদ্রোহীরা মানুষকে কষ্ট দেয়: নাছিম

সরকারের অধীনেই নির্বাচন নিয়ে ভাবছে বিএনপির একাংশ

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩  

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর খুব বেশিদিন বাকি নেই। এরই মধ্যে সরগরম রাজনীতির মাঠ। সভা-সমাবেশসহ নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত রাজনৈতিক দলগুলো। এরই মধ্যে বিএনপির মধ্যেও দেখা দিয়েছে বিভাজন। দলটির একটি পক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি থেকে সরে এসে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচনে যাবে না- এমন ঘোষণা দিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নেমেছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে ধারাবাহিক কর্মসূচিও পালন করছে দলটি। তবে আন্দোলনের পাশাপাশি বিএনপির একটি পক্ষ নির্বাচনের প্রস্তুতিও নিচ্ছে বলে জানা গেছে। 

শুধু তাই নয়, ৩০০ আসনের মধ্যে ২০০ আসনে প্রার্থীও বাছাই করেছে বিএনপির ঐ পক্ষ। বাকি ১০০ আসন তারা শরিকদের জন্য রেখেছে। নির্বাচনে যাওয়া এবং মনোনয়ন বাছাই সংক্রান্ত এমন সিদ্ধান্তের কথা ফাঁসও হয়েছে। এ নিয়ে দলের মধ্যে চলছে নানা গুঞ্জন।

বিএনপির বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এ মনোনয়ন বাছাইয়ের চূড়ান্ত কাজটি করেছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পলাতক তারেক রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ তিনি। নির্বাচনে যাওয়ার এমন সিদ্ধান্ত দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে শোরগোল ফেলেছে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু সম্প্রতি গণমাধ্যমে  বলেছেন, এরই মধ্যে দলের নেতৃস্থানীয় বা স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা জানেন যে, ২০০ আসনের মধ্যে কারা আমাদের মনোনয়ন পাবেন।

দলের আরেক ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) মো. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, অবশ্যই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, বিএনপি সবসময় নির্বাচনমুখী একটি দল। নতুন করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

দলীয় গোপন সূত্র জানায়, বিএনপি দীর্ঘ ১৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন করছে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া আর কোনো নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছে। দলীয় এমন সিদ্ধান্তের কারণেই গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করে আসছেন নেতাকর্মীরা। হঠাৎ করে এখন নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জেনে হতবাক বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মী। তাই তারা চলমান আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা বলছেন, কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবেন না। অথচ নির্বাচনের জন্য ২০০ আসনের প্রার্থী বাছাই করেছে দলটি। তাহলে চলমান আন্দোলনের অর্থ কী? কেন আন্দোলনের নামে দলের কর্মীদের এভাবে রাজপথে নামানো হচ্ছে?