• সোমবার ২০ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪৩১

  • || ১১ জ্বিলকদ ১৪৪৫

প্রশ্নের মুখে খালেদা জিয়ার সেই পদক

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৮ মার্চ ২০২৩  

 
নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে হোসে ম্যারিও গুইলোম্বো গ্রেফতার হওয়ার পর প্রশ্নের মুখে পড়েছে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সেই ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ পদক। এ ঘটনায় ‘কানাডিয়ান হিউমান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনকে (সিএইচআরআইও) নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা।

কয়েক বছর আগে কানাডিয়ান হিউমান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন নামক সংগঠনটি ‘ডেমোক্রেসি হিরো’ ক্যাটাগরিতে খালেদা জিয়াকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ পদক দিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসে। ২০২২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সংগঠনের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার হাতে এ সম্মাননার ক্রেস্ট পৌঁছে দেওয়া হয় বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদে উল্লেখ আছে, বাংলাদেশে ও বহির্বিশ্বে অনগ্রসর জনগণের জন্য গণতন্ত্র, মানবাধিকার, শান্তি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের জন্য খালেদা জিয়াকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। ক্রেস্টে এর তারিখ উল্লেখ রয়েছে ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই।

এদিকে, খালেদা জিয়াকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ পদক দেওয়া কানাডিয়ান হিউমান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের (সিএইচআরআইও) প্রতিষ্ঠাতা প্রধান হোসে ম্যারিও গুইলোম্বোকে এক নারীকে পাঁচবার যৌন নিপীড়ন এবং দুইবার আটকে রাখার অভিযোগে গ্রেফতার করেছে টরন্টো পুলিশ।


দেশটির পুলিশ বলছে, ভুক্তভোগী নারী যতবার এ ব্যক্তির সংগঠনের কার্যালয়ে গেছেন ততবারই যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। পুলিশের ধারণা, আরো অনেকেই এই ব্যক্তির হাতে হয়রানির শিকার হয়ে থাকতে পারেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, যে প্রতিষ্ঠান একজন ব্যক্তিকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ পদকে ভূষিত করলো, সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধান যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। এতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কী পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রতিষ্ঠানটি এ ধরনের পদক দেয় তা নিয়েও চলছে সমালোচনা। খালেদা জিয়াকে পদক দেওয়ার বিনিময়ে আর্থিক লেনদেন হয়েছে কিনা সেটি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।