• মঙ্গলবার   ২৮ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৫ ১৪২৯

  • || ২৭ জ্বিলকদ ১৪৪৩

সর্বশেষ:
পদ্মাসেতু জাতীয় সম্পদ, বিরোধিতাকারীরা জাতির শত্রু: হাইকোর্ট নিজের ভাগ্য নয়, জনগণের ভাগ্য বদলই একমাত্র লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ যুক্তরাজ্যকে এক লাখ রোহিঙ্গা নিতে অনুরোধ বাংলাদেশের বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতি পদ্মার গহীনে নিমজ্জিত: ওবায়দুল কাদের

আল্লাহর বিস্ময়কর সৃষ্টি মৌমাছি

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৯ মে ২০২২  

মহান আল্লাহ তায়ালার এক বিস্ময়কর সৃষ্টি মৌমাছি। পবিত্র আল কোরআনে যেসব কীট-প্রত্যঙ্গের বর্ণনা এসেছে, তন্মধ্যে মৌমাছি একটি। মৌমাছির নামে একটি সুরার নামকরণও করা হয়েছে, তা হলো সুরা ‘আন নাহল’। এই সুরায় আল্লাহ তায়ালা মৌমাছি সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। 

আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘তোমার রব মৌমাছির অন্তরে ইঙ্গিত দ্বারা নির্দেশ দিয়েছেন যে, তুমি গৃহ নির্মাণ করো পাহাড়, বৃক্ষ এবং মানুষ যে গৃহ নির্মাণ করে তাতে।’ (সুরা আন নাহল :৬৮) পরের আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘এরপর প্রতিটি ফল থেকে কিছু কিছু আহার করো, অতঃপর তোমার রবের সহজ পথ অনুসরণ করো। ওর উদর থেকে নির্গত হয় বিবিধ বর্ণের পানীয়, যাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিষেধক। অবশ্যই এতে রয়েছে নিদর্শন চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য।’ (সুরা আন নাহল :৬৯)

এ সম্পর্কে হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, এক লোক রসুল (স.)-এর কাছে এসে বলল, ‘আমার ভাইয়ের পেট ছুটে গেছে (অর্থাৎ খুব পায়খানা হচ্ছে)। তিনি বলেন, তাকে মধু পান করিয়ে দাও। সে গেল এবং তাকে মধু পান করাল। আবার সে এলো এবং বলল, হে আল্লাহর রসুল (স.), তার রোগ তো আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি এবারও বললেন, যাও, তাকে মধু পান করাও। সে গেল এবং তাকে মধু পান করাল। পুনরায় এসে সে বলল, হে আল্লাহর রসুল (স.), তার পায়খানা তো আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বললেন, আল্লাহ সত্যবাদী এবং তোমার ভাইয়ের পেট মিথ্যাবাদী। তুমি যাও এবং তাকে মধু পান করাও। সে গেল এবং তাকে মধু পান করাল। এবার সে সম্পূর্ণরূপে আরোগ্য লাভ করল। (বুখারি ও মুসলিম)

হজরত ইবনু আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, তিনটি জিনিসে শিফা বা রোগমুক্তি রয়েছে। শিঙ্গা লাগানো, মধুপান এবং (গরম লোহা দ্বারা) দাগ দিয়ে নেওয়া। কিন্তু আমার উম্মতকে আমি দাগ নিতে নিষেধ করছি। (বুখারি) 

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার সৃষ্টি এই ক্ষুদ্র পতঙ্গ মৌমাছির সৃষ্ট ঘরটি দেখলে বিস্মিত হতে হয়। ওটা কতই না মজবুত, কতই না সুন্দর এবং কতই কারুকার্যখচিত!