• মঙ্গলবার   ০৪ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১৮ ১৪২৯

  • || ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
মুজিববর্ষে সরকারি ঘর পেয়েছে প্রায় ২ লাখ পরিবার: প্রধানমন্ত্রী আগামী প্রজন্মের জন্য পরিকল্পিত নগরায়ণের বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ অঞ্চলের ৫০ লাখ ভিডিও সরিয়েছে টিকটক: টেলিযোগাযোগমন্ত্রী করতোয়ায় দেশের বৃহত্তম ওয়াই ব্রিজ হবে: রেলমন্ত্রী সুজন বিএনপি সুযোগ পেলে আবার নির্যাতন চালাবে: তোফায়েল আহমেদ

সারাদেশে ৫৫৫টি জয় ডিজিটাল সার্ভিস সেন্টার নির্মাণ করা হবে: পলক

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২  

সারাদেশে ৫৫৫টি জয় ডিজিটাল সার্ভিস সেন্টার নির্মাণ করা হবে: পলক       
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সারাদেশে ৫৫৫টি জয় ডিজিটাল সার্ভিস এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে এরই মধ্যে এই সেন্টার নির্মাণ কার্যক্রমকে অনুমোদন করেছেন।

মঙ্গলবার নাটোরের সিংড়া উপজেলাতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল পরিচয়পত্র এবং সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি। সিংড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম সামিরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, জয় ডিজিটাল সার্ভিস এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার তরুণ-তরুণীরা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ই-কমার্স উদ্যোক্তা, আইটি ফ্রিল্যান্সার, ইন্টারপ্রেনার এবং মন্ত্রণালয়গুলোর সরকারি সেবা পেতে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সল্যুশন সেন্টার হিসেবে কাজ করবে। সব জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। ১৩ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে তথ্য প্রযুক্তির শিক্ষা গ্রহণ করছে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষাকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য-২০৪১ সালের মধ্যে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানভিত্তিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সততা, সাহসিকতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের পরিচিতিকে শ্রমভিত্তিক অর্থনীতির দেশ থেকে প্রযুক্তি নির্ভর মেধাবী জাতির দেশের পরিচয়ে পরিচিত করতে চাই আমরা।

বীর মুক্তিযোদ্ধারা এদেশের সূর্য সন্তান উল্লেখ করে পলক বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জীবনবাজি রেখে তারা দেশের জন্যে যুদ্ধ করে আমাদের স্বাধীন ভূখণ্ড এনে দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের পরিচয় দিতে পারতেন না, তাদের চাকরির সুযোগ ছিল না।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানীত করেছেন। মাসিক সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি করে ২০ হাজার টাকা করে প্রদান করছেন। তার যুগান্তকারী পদক্ষেপে সব বীর মুক্তিযোদ্ধারা স্মার্ট আইডি কার্ড পাচ্ছেন। এই কার্ড তাদের আত্মমর্যাদা ও সম্মানের প্রতীক। বিভিন্ন দাফতরিক সেবা পেতে এই কার্ড সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।