• বৃহস্পতিবার   ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৯ ১৪২৯

  • || ০৯ রজব ১৪৪৪

সর্বশেষ:
ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াতে মুসলিমদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, আমরা সবাই বাঙালি: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আইএমএফের ঋণই প্রমাণ করে দেশের অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত: অর্থমন্ত্রী করোনা মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ৩.৮% প্রসারিত হয়েছে শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা করার মানসিকতা পরিহার করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

কিউইদের হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে পাকিস্তান

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৯ নভেম্বর ২০২২  

আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনাল নিশ্চিত করলো পাকিস্তান। নিউজিল্যান্ডের দেয়া ১৫২ রানের লক্ষ্যকে সহজেই ৭ উইকেটে টপকে যায় বাবর আজমের দল।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করে মধ্যম মানের সংগ্রহ পায় কিউইরা। সবমিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের পুঁজিটা খুব বড় হয়নি। ৪ উইকেটে ১৫২ রানেই আটকে গেছে কেন উইলিয়ামসনের দল।

পাকিস্তানের ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য ছিল ১৫৩ রান, যা খুব বড় নয়। এর মধ্যে আবার রান তাড়ায় উড়ন্ত সূচনাই করেন পাকিস্তানি দুই ওপেনার বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। তাদের দুজনের হাত ধরেই মূলত জয়ের ভিত্তিটা রচিত হয়। তারা দুজনেই এজকের ম্যাচে তুলে নেন নিজেদের ফিফটি। বিশেষ করে বড় ম্যাচে জ্বলে উঠেছে বাবর আজমের ব্যাট। 

পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে পাকিস্তান বিনা উইকেটেই তুলে ফেলে ৫৫ রান। বাবর আজম ১৯ বলে ২৫ আর মোহাম্মদ রিজওয়ান ১৭ বলে ২৮ রানে তখন দলকে এগিয়ে নেন। পরে সেখান থেকে বাবর ৫৩ রানে আউট হলেও মোহাম্মদ হারিসকে নিয়ে রিজওয়ান দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। হারিস ১২ রান ও রিজওয়ান ৫৪ রানে ব্যাট করলেও তাতে আঘাত হানেন বোল্ট।

তারপরপরই ট্রেন্ট বোল্টের একটা বল পয়েন্টের উপর দিয়ে উঠিয়ে মারতে গিয়ে ফিলিপসের হাতে ক্যাচ আউট হন রিজওয়ান। তার আউটের পর জয় দিয়ে খেলা শেষ করেন শান মাসুদ ও ইফতিখার আহমেদ।

এর আগে নিউজিল্যান্ডকে দারুণভাবে চেপে ধরেন পাকিস্তানি বোলাররা। ৪৯ রানে হারিয়ে কিউইরা হারিয়ে বসে ৩ উইকেট। সেখান থেকে কেন উইলিয়ামসন দলকে এগিয়ে দেন। তারপর ঝোড়ো ব্যাটিং করেন ড্যারেল মিচেল। নির্ধারিত ২০ ওভারে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ পাঁচ উইকেটে ১৫২ রান।

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। প্রথম ওভারেই কিউই শিবিরে আঘাত হানেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।

আফ্রিদির প্রথম বলেই চার হাঁকিয়েছিলেন ফিন অ্যালেন। পরের ডেলিভারিতে তাকে এলবিডব্লিউ দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়ে সে যাত্রায় বেঁচে গেলেও ঠিক পরের বলেই লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন অ্যালেন।

শুরুতেই উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন ডেভন কনওয়ে ও কেন উইলিয়ামসন। পাওয়ার প্লে মোটামুটি দেখেশুনেই কাটিয়ে দিচ্ছিলেন তারা। তবে ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে কুইক সিঙ্গেল নিতে গিয়ে রান আউট হন ২১ রান করা কনওয়ে।

গ্লেন ফিলিপস এদিন ৭ রানের বেশি করতে পারেননি। তাকে হারানোর পর চতুর্থ উইকেটে ৬৮ রানের জুটি গড়েন কেন উইলিয়ামসন ও ড্যারেল মিচেল। আফ্রিদিকে স্কুপ করতে গিয়ে ৪৬ রানে বোল্ড হন উইলিয়ামসন।

অধিনায়ক না পারলেও ঠিকই ফিফটির দেখা পান মিচেল। তিনি ৫৩ ও অন্যপ্রান্তে থাকা জিমি নিশাম ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি দুটি ও মোহাম্মদ নওয়াজ একটি করে উইকেট শিকার করেন।