• বুধবার   ৩০ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৯

  • || ০৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
ক্ষমতায়ন ছাড়া সমাজে নারীর অবস্থান উন্নত হবে না: প্রধানমন্ত্রী অপপ্রচারকারীদের কনস্যুলার সেবা দেবে না কানাডার বাংলাদেশ মিশন ‘দেশের ফুটবল দলকে বিশ্বকাপের উপযোগী করতে কাজ চলছে’ ট্রেনের ধাক্কায় ইউএনও অফিসের নৈশপ্রহরীর মৃত্যু ‘পলিথিন প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে’

পেলের ৬৪ বছর পর ইতিহাসের পাতায় স্প্যানিশ ফুটবলার

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০২২  

পেলের ৬৪ বছর পর ইতিহাসের পাতায় স্প্যানিশ ফুটবলার                    
স্পেনের ইতিহাসে যতজন প্রতিভাবান খেলোয়াড় এসেছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম পাবলো গাভি। এবারের বিশ্বকাপে স্পেনের হয়ে মাঠে নামার আগে তার সামনে উঁকি দিচ্ছিল দুটি রেকর্ড। মাঠে নামার পর তার একটিও হাতছাড়া করেননি এই তরুণ ফুটবলার।

কোস্টারিকার বিপক্ষে মাঠে নেমেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান গাভি। পরে গোলের দেখা পেয়ে স্পেনের তরুণ এই মিডফিল্ডার গড়লেন আরেক কীর্তি। ১৯৫৮ সালে পেলের পর সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে গোল করলেন তিনি। পেলের গোলের ৬৪ বছর কেটে গেলেও কেউ গড়তে পারেনি এই কীর্তি।

দোহার আল থুমামা স্টেডিয়ামে বুধবার রাতে ‘ই’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচটি ৭-০ গোলে জেতে স্পেন। বিশ্বকাপে যা তাদের সবচেয়ে বড় জয়। এই ম্যাচেই স্পেনের সবচেয়ে কম বয়সী (১৮ বছর ১১০ দিন) খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে নেমে প্রথম রেকর্ডটি গড়েন গাভি।

এরপর দলের পঞ্চম গোলটি করে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেন বার্সেলোনার প্রাণভোমরা মধ্যমাঠের এই খেলোয়াড়। আলভারো মোরাতার বুদ্ধিদীপ্ত ক্রসে সাইড ফুটের চমৎকার ভলিতে লক্ষ্যভেদ করেন বার্সেলোনা মিডফিল্ডার। গোল করা ছাড়াও উজ্জীবিত পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি।

সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের তৃতীয় কম বয়সী গোল স্কোরার এখন গাভি। তার চেয়ে কম বয়সে গোল করেছেন কেবল মেক্সিকোর মানুয়েল রোসা ও ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে।

১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১৮ বছর ৯৩ দিন বয়সে গোল করেছিলেন রোসা। ২৮ বছর পর তার রেকর্ড ভেঙে দেন পেলে। ১৯৫৮ আসরে কোয়ার্টার-ফাইনালে ওয়েলসের বিপক্ষে ১৭ বছর ২৩৯ দিন বয়সে গোল করেন তিনি। এরপর সেমিফাইনালে হ্যাটট্রিক, ফাইনালে জোড়া গোল, শিরোপা জয় করে হয়ে ওঠেন কিংবদন্তি।

গাভির এমন রেকর্ডের দিনে নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়টি পেয়েছে ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন স্পেন। কোস্তারিকার জালে গুণে গুণে সাত গোল দিয়েছে তারা। নিজেদের জাল ছিল সুরক্ষিত।

স্পেনের হয়ে জোড়া গোল করেন ফেরান তোরেস। এছাড়াও ১টি করে গোল করেন, অ্যাসেনসিও, দানি ওলমো, মোরাতা, কার্লস সোলার ও পাবলো গাভি। ম্যাচের ১৩তম মিনিটে গোল দিয়ে শুরু।  এরপর প্রথমার্ধের ২১ মিনিটে মার্কো আসেনসিও এবং।৩১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন ফেরান তোরেস।

দ্বিতীয়ার্ধে ৫৪ মিনিটে আবারো দলের হয়ে গোল করেন ফেরান তোরেন। জাতীয় দলের হয়ে এটি তার ১৫তম গোল। এরপর ৭৪ মিনিটে গাভি, ৮৯ মিনিটে কার্লস সোলার ও ৯২ মিনিটে সর্বশেষ গোলটি করেণ মোরাতা। তাতেই বিশ্বকাপে ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ম্যাচে ৭ গোল করলো স্পেন। এই বিশাল জয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠে আসলো লুইস এনরিকের দল।