• বৃহস্পতিবার   ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৯ ১৪২৯

  • || ০৯ রজব ১৪৪৪

সর্বশেষ:
ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াতে মুসলিমদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, আমরা সবাই বাঙালি: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আইএমএফের ঋণই প্রমাণ করে দেশের অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত: অর্থমন্ত্রী করোনা মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ৩.৮% প্রসারিত হয়েছে শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা করার মানসিকতা পরিহার করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০২২  

মাঠে চলছিল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ। আর দর্শকদের বুক করছিল দুরুদুরু। মূল সময়ের খেলা গোলশূন্য হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেই পর্বে ব্রাজিলের ত্রাতা হলেন নেইমার।

তার চোখ ধাঁধানো গোলে ব্রাজিল এগিয়ে গেল। কিন্তু নাটকের আরও বাকি ছিল। শেষ মুহূর্তে ম্যাচে ফিরে সমতা। অতঃপর পেনাল্টি শ্যুটআউটে ব্রাজিলকে ৪-২ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ক্রোয়েশিয়া।

আল রাইয়ানের এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে গোলের জন্য প্রথম শট নেয় ব্রাজিল। ভিনিসিউস জুনিয়রের শট সহজেই ঠেকান ক্রোয়াট গোলরক্ষক লিভাকভিচ। ১৩তম মিনিটে নিজেদের প্রথম ভালো সুযোগ পায় ক্রোয়েশিয়া। বল পায়ে নিজেদের অর্ধ থেকে প্রায় ডি-বক্স পর্যন্ত চলে যান ইয়োসিপ ইউরানোভিচ। কিন্তু বক্সের ভেতর বল পেয়েও মিলিতাওকে কাটিয়ে শট নিতে পারেননি ইভান পেরিসিচ।

২০তম মিনিটে পেনাল্টি স্পটের কাছে ভিনিসিউসের শট ব্লক করেন বোর্না সোসা। কয়েক সেকেন্ড পর নেইমারের দুর্বল শট ঠেকিয়ে দেন ক্রোয়েট গোলকিপার। ৩০তম মিনিটে পেরিসিচের দূরপাল্লার শট যায় ক্রসবারের অনেক উপর দিয়ে। ৪২তম মিনিটে সুবিধাজনক জায়গায় ফ্রি কিক পায় ব্রাজিল। কিন্তু গোলরক্ষক বরাবর শট নিয়ে হতাশ করেন নেইমার। গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় প্রধমার্ধ।

বিরতির পর তীব্র আক্রমণ শুরু করে ব্রাজিল। বক্সের ভেতর দারুণ জায়গায় বল পেয়েও গোল করতে পারেননি ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ক্রোয়েট দূর্গে মুহুর্মুহু আক্রমণ চালাতে থাকে ব্রাজিল। কিন্তু সাফল্য আসছিল না। ৪৮তম মিনিটে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে নেইমারের শট ঠেকান ইয়োস্কো গাভারদিওল। এই সময় ইউরানোভিচের হাতে বল লাগলেও ভিএআরের দ্বারা পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেটি 'দুর্ঘটনা বশতঃ' হয়েছে। তাই পেনাল্টি পায়নি ব্রাজিল।

৫৫তম মিনিটে আবার সুযোগ পান নেইমার। রিচার্লিসনের কাছ থেকে বল পেয়ে জোড়ালো শট নিতে পারেননি। ৬৬তম মিনিটে লুকাস পাকেতার অবিশ্বাস্য মিস করেন। ডি বক্সে বল ফাঁকায় পেয়েও সামনে থাকা গোলকিপারকে পরাস্ত করতে পারেননি! ১০ মিনিট পর এগিয়ে গিয়ে নেইমারের শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান গোলরক্ষক। ৮০তম মিনিটে ডি বক্সে বল পেয়েও গোলরক্ষক বরাবর শট নেন পাকেতা। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

অতিরিক্ত সময়ের ১৬তম মিনিটে দুরুহ কৌণিক অবস্থান থেকে অসাধারণ গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন নেইমার। কিন্তু নাটকের তখনো বাকি ছিল। অতিরিক্ত সময় শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে গোল পরিশোধ করে ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেই টাইব্রেকারেই কপাল পুড়ল ব্রাজিলের। ২০০২ সালের পর আরও একবার বিশ্বকাপ হতে খালি হাতে ফিরতে হলো পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। পূর্ণ হলো না হেক্সা মিশন।