• রোববার ১৯ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪৩১

  • || ১০ জ্বিলকদ ১৪৪৫

‘রাতের অন্ধকারে বিদেশি কূটনীতিকদের কাছে গিয়ে বিএনপির লাভ হয়নি’

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০২৩  

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নমুনা হামলা, ভাঙচুর আর অগ্নিসংযোগ। বিএনপি যে অগ্নিসন্ত্রাস, নৈরাজ্যের পথ থেকে বের হয়নি, সেটির বহিঃপ্রকাশ তারা চট্টগ্রামে দেখিয়েছে। ঢাকায় খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলছেন, তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে চান। আর চট্টগ্রামে তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নমুনা হচ্ছে- পুলিশের ওপর হামলা, গাড়িঘোড়া ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ।

মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তর সম্মেলন কক্ষে মোনায়েম সরকার সম্পাদিত ‘আবদুল গাফফার চৌধুরী স্মারক গ্রন্থে’র মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে তিনি একথা বলেন।

শতাধিক গ্রন্থপ্রণেতা বিশিষ্ট রাজনীতিক ও বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর ডিভালপমেন্ট রিসার্চের মহাপরিচালক মোনায়েম সরকারের সভাপতিত্বে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুলতান শরীফ, প্রধান তথ্য অফিসার মো. শাহেনুর মিয়া, বাংলা টিভির চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, আগামী প্রকাশনীর স্বত্ত্বাধিকারী ওসমান গণি, গ্রন্থটির সহ-সম্পাদক ড. দিনাক সোহানী ও অপূর্ব শর্মা বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

ড. হাছান বলেন, আমরা বারবার বলে আসছি বিএনপি দেশে অশান্তি সৃষ্টির জন্যই সভা সমাবেশগুলো করছে। সেই সমাবেশের নামে যেহেতু তারা আবার অগ্নিসংযোগ শুরু করেছে, পুলিশের ওপর হামলা করছে এবং সে কারণে জনজীবন নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, অতএব ভবিষ্যতে তাদের সমাবেশের ক্ষেত্রে আরো সতর্ক থাকতে হবে। তারা সমাবেশের কথা বলে আবার কি করে সেটি নিয়েও ভাবতে হবে, সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

‘বিএনপির রাজনীতি জনমুখী নয়, বিদেশমুখী’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা রাতের অন্ধকারে বিদেশি কূটনীতিকদের কাছে ছুটে যাওয়া, তাদের পদলেহন করা- এই নীতি গ্রহণ করেছে। তবে এ সব করে যেকোনো লাভ হয়নি, সেটি তারা বুঝেছে- যখন অতি সম্প্রতি মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে এসে বলে গেছেন যে, বাংলাদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর কাজের গুণগত উন্নতি হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীকে সহায়তা করতে চায়, প্রশিক্ষণ দিতে চায়। এতে তাদের মাথাটা খারাপ হয়ে গেছে। ফলে এখন তারা আবোল-তাবোল বকা শুরু করেছে।

মন্ত্রী বলেন, আব্দুল গাফফার চৌধুরী শুধু মাত্র গান রচনার মধ্যেই তার সৃজনশীল কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ রেখেছেন, তা নয়। তিনি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন। স্বাধিকার আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর স্বাধীনতার চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে দেশকে যখন পশ্চাৎপদ করা হচ্ছিল, তখন আব্দুল গাফফার চৌধুরী কলম ধরেছেন। যে বা যারাই ক্ষমতায় থাকুক, যখনই কোনো অসংগতি দেখেছেন, সেটির ব্যাপারে আব্দুল গাফফার চৌধুরী কলম ধরেছেন, এমন কি আমাদের সরকারকে পরামর্শ দিতে গিয়ে কলম ধরেছেন, প্রয়োজনে আমাদের সমালোচনাও করেছেন।

বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর ডিভালপমেন্ট রির্সাচের সহায়তায় আগামী প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত ৪১৬ পৃষ্ঠার ‘আবদুল গাফফার চৌধুরী স্মারক গ্রন্থ’টিতে প্রায় ৮০টি নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার, গাফফার চৌধুরীর কবিতা ও গল্প রয়েছে।