• শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৩ ১৪৩১

  • || ১১ মুহররম ১৪৪৬

সর্বশেষ:
সর্বোচ্চ আদালতের রায়ই আইন হিসেবে গণ্য হবে: জনপ্রশাসনমন্ত্রী। ২৫ জুলাই পর্যন্ত এইচএসসির সব পরীক্ষা স্থগিত।

স্বাধীনতার ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা যেন কোনোভাবেই ক্ষমতায় আসতে না পারে। এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাবো। দেশ ও স্বাধীনতার ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম- মুক্তিযুদ্ধ ৭১’ এর ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

জাতীয় সম্মেলনে যোগদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে তারা যেন কোনোভাবেই ক্ষমতায় আসতে না পারে। এ বিষয়টি সবাইকে সতর্কভাবে খেয়াল করতে হবে। দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে প্রত্যেককে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। দেশের কষ্টার্জিত স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে হলে এবং স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরসূরিসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের ফলশ্রুতিতে আপনারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন এ আন্দোলনের মধ্যমণি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক খেলা হয়েছে, অনেক নেতৃত্ব এসেছে। কিন্তু এই খেলায় বিজয়ী হচ্ছেন জাতির সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

মো.  সাহাবুদ্দিন বলেন, বঙ্গবন্ধু জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি জানতেন কীভাবে রাজনীতি করতে হয়। বঙ্গবন্ধু মানুষের অন্তরের কথা বুঝতেন এবং জানতেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনা, জাতীয়তাবাদী মনোভাব, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ সবকিছুতেই তিনি অনন্য ও অসাধারণ ছিলেন।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা লাভ করলেও স্বাধীনতা বিরোধীদের চক্রান্ত থেমে থাকেনি। তারা এখনো সক্রিয় রয়েছে। ১৯৭১ সালের সেই পরাজিত শত্রুরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সংবিধানকে তছনছ করতে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালের বাংলার মাটিতে সংগঠিত গণহত্যা বিংশ শতাব্দীর জঘন্যতম বৃহৎ গণহত্যা। যুক্তরাজ্যের দি সানডে টাইমস পত্রিকায় এ গণহত্যার বিস্তারিত ছাপা হয়েছে। বাঙালির গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবেদন আরো জোরালো করা প্রয়োজন। সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের এ দাবির বিষয়ে সরকার সার্বিক সহযোগিতা করবে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে মর্যাদার আসনে আসীন। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা আরো বেগবান করতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে কাজ করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সেক্টরস কমান্ডারস ফোরামের কার্যনির্বাহী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম, ফোরামের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সারওয়ার আলী, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ম. হামিদ, মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবিব প্রমুখ।