• শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৩ ১৪৩১

  • || ১১ মুহররম ১৪৪৬

সর্বশেষ:
সর্বোচ্চ আদালতের রায়ই আইন হিসেবে গণ্য হবে: জনপ্রশাসনমন্ত্রী। ২৫ জুলাই পর্যন্ত এইচএসসির সব পরীক্ষা স্থগিত।

দেশে সব ধর্মের নাগরিকদের সমান অধিকার: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে ১৯৭১ সালে আমাদেরকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। যেসব অধিকার আদায়ের জন্য আমরা পাকিস্তানের অত্যাচার এবং নিপীড়ন থেকে মুক্ত হয়েছিলাম তার মধ্যে সব ধর্মের নাগরিকদের সমান অধিকার প্রাপ্তি অন্যতম। আমাদের সংবিধানেও ধর্মনিরপেক্ষতার যে মূলনীতি রয়েছে তাতে ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার এই নীতিই উল্লেখ রয়েছে। ফলে বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে নাগরিক হিসাবে।

শুক্রবার কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় বাংলাদেশ সেবাশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা পরমরাধ্য গুরুদেব শ্রীমৎ আচার্য বিবেকানন্দ গোস্বামীর ১০০তম জন্মজয়ন্তী ও নবনির্মিত মন্দিরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

সব ধর্মের নাগরিকদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ বিস্তারিত তুলে ধরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠ অথবা সংখ্যালঘু হিসাবে দেশের মানুষকে বিবেচনা করে না।

ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন সৃষ্টি করে দেশে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যজনক পরিবেশ বিনষ্ট করতে বিএনপি জামায়াত সব সময় সক্রিয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপর উপর যে অত্যাচার হয়েছে তা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর অত্যাচারকেও হার মানায়। 

তিনি বলেন, ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশে ধর্মীয় সহনশীলতার দেশ। এখানে সব ধর্মের মানুষ নিজেদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সহানুভূতি নিয়েই বসবাস করে। তবে কিছু ধর্মীয় ও মৌলবাদী গোষ্ঠী রাজনৈতিক ফায়দা আদায় করার জন্য সব সময় ধর্মকে ব্যবহার করে। এসব ধর্ম ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

হিন্দু ধর্মাবলম্বী সবাইকে আসন্ন দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সব ধর্মের মানুষ যতটা নির্বিঘ্নে তাদের ধর্ম, আচার-আচরণ পালন করতে পারছেন তা ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- এমপি বীর মুক্তিযুদ্ধা অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, এমপি রাজী মোহাম্মদ ফখরুল। মন্দিরের উদ্বোধন করেন এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল।