• শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৩ ১৪৩১

  • || ১১ মুহররম ১৪৪৬

সর্বশেষ:
সর্বোচ্চ আদালতের রায়ই আইন হিসেবে গণ্য হবে: জনপ্রশাসনমন্ত্রী। ২৫ জুলাই পর্যন্ত এইচএসসির সব পরীক্ষা স্থগিত।

উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোনো বিভাজন চলবে না: রাষ্ট্রপতি

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দেশের সার্বিক উন্নয়নে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে পাবনাবাসীসহ দেশের সব নাগরিককে একই ছায়াতলে এসে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

রাজধানীর একটি হোটেলে শুক্রবার পাবনা ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোন বিভাজন চলবে না, দেশের উন্নয়নে ও জনগণের কল্যাণে দল-মত নির্বিশেষে পাবনাবাসীসহ সবাকে একই ছায়াতলে কাজ করতে হবে।’

গণমানুষের দাবি ও আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশ যেভাবে অগ্রগতির সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে এদেশ ২০৪১ সালে উন্নত দেশের পর্যায়ে পৌঁছতে পারবে।

পাবনার সার্বিক উন্নয়নের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতার ছোঁয়া অবশ্যই পাবনাবাসীদের ওপর পড়বে এবং সেজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

পাবনা ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ফাউন্ডেশন পাবনার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে সে বিশ্বাস প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই সবার ছিল। আর তাই তো অনেক অসাধ্য কাজকে সাধন করা সম্ভব হয়েছে সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায়।

পাবনাবাসীর উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম। যুদ্ধে সরাসরি অংশ নিয়েছি- কর্মী হিসেবে কিন্তু কমান্ডার ছিলাম না। তবে দক্ষ সংগঠক ও কর্মী ছিলাম।

তিনি বলেন, পাবনা তথা দেশের উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সাবিরুল ইসলাম, পাবনা ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম, সহ-সভাপতি অধ্যাপক শিবজিত কুমার নাগ, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতিকে পাবনা ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। 

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের জীবন ও কর্মের ওপরে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র ‘একটি কিংবদন্তী’ প্রদর্শন করা হয়।

রাষ্ট্রপতি তথ্যচিত্রটি উপভোগ করেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শেষে তিনি একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং নৈশভোজে অংশ নেন।