• শনিবার ২০ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৪ ১৪৩১

  • || ১২ মুহররম ১৪৪৬

সর্বশেষ:
সর্বোচ্চ আদালতের রায়ই আইন হিসেবে গণ্য হবে: জনপ্রশাসনমন্ত্রী। ২৫ জুলাই পর্যন্ত এইচএসসির সব পরীক্ষা স্থগিত।

গাজা উপত্যকা পুনর্গঠন করবে তুরস্ক

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৯ নভেম্বর ২০২৩  

দখলদার ইসরায়েলের নজিরবিহীন হামলায় পুরোপুরি বিধ্বস্ত গাজাকে পুনর্গঠন করতে চায় তুরস্ক। চলমান এই সংঘাতের বিরতি হলে তার দেশ গাজার স্কুল,হাসপাতালসহ অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর পুনর্গঠন করবে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।

শনিবার (১৮ নভেম্বর) তুরস্কের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

জার্মানি সফর শেষে নিজ দেশে ফিরে সাংবাদিকদের এরদোগান বলেন, ‘ইসরায়েল গাজায় যে ধ্বংসযজ্ঞ করেছে, যুদ্ধবিরতি হলে সেসব ঠিক করার জন্য আমাদের যা যা করার তা করবো।’

তিনি আরো বলে, ‘আমরা গাজার ক্ষতিগ্রস্থ অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়া স্কুল, হাসপাতাল,পানি ও জ্বালনি ব্যবস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করবো।’

গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হামাস- ইসরায়েলের যুদ্ধে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছেন তুরস্ক। ইসরায়েলের বর্বর ও নির্বিচার হামলার নিন্দা জানিয়ে বারবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন এরদোগান।

এমনকি গত শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) জার্মানি সফরে যান এরদোগান। সেখানে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলজের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এরপর এক সংবাদ সম্মেলনে  অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির জন্য জার্মানিকে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানালে তা নাকচ করে দেন জার্মান নেতা। এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনেই বাকবিতণ্ডায় জড়ান দুইজন।

এর আগে গত ২৮ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তানবুলে এক বিক্ষোভ সমাবেশে এরদোগান বলেন, তুরস্ক ইসরায়েলকে বিশ্বের সামনে যুদ্ধাপরাধী প্রমাণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে অতর্কিত রকেট হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। এর পাল্টা জবাবে টানা ৪৪ দিন ধরে গাজায় নৃশংস গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েলি সেনারা। সবশেষ শনিবার (১৮ নভেম্বর) হামাস জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় ১২ হাজার ৩০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচ হাজারেরও বেশি শিশু। আর নারী তিন হাজার ৩০০ জন। এছাড়াও এখন পর্যন্ত আহত হয়েছেন ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ।