ব্রেকিং:
দেশে নতুন করে লকডাউনের কোন চিন্তা-ভাবনা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • সোমবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৮

  • || ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

সর্বশেষ:
অস্ত্র প্রতিযোগিতার পরিবর্তে শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ুন- প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে মৈত্রী দিবস পালন করবে ঢাকা-দিল্লি রংপুরে এখন মঙ্গা নেই, উন্নয়ন দৃশ্যমান: বাণিজ্যমন্ত্রী হাবিপ্রবিতে ইউনিটভিত্তিক ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু ট্রাকচাপায় ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি নিহত

রংপুরে তাবলিগ জামাতের তিন দিনব্যাপী ইজতেমা শুরু 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর ২০২১  

রংপুরে তাবলিগ জামাতের তিন দিনব্যাপী ইজতেমা শুরু হয়েছে। ইজতেমায় কয়েক হাজার মুসল্লি অংশ নিচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ২০১০ সাল থেকে রংপুরে আঞ্চলিক ইজতেমা হয়ে আসছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) ভোর থেকে নগরের রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের পাশে উত্তম হাজীরহাটের রব্বানীর চরে ৬ষ্ঠ বারের মতো এ ইজতেমা শুরু হয়েছে।

ফজরের নামাজের পর আমবয়ান শুরু করে তাবলিগ জামাতের আলেমগণ। কোরআন ও হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে আল্লাহ ও নবী-রাসুলের হুকুম আহকাম মেনে চলার মধ্যেই ইহকাল ও পরকালে সুখ শান্তি রয়েছে বলে উল্লেখ্য করেন তারা।

ইজতেমায় বয়ান করতে রাজধানী ঢাকাসহ ইতোমধ্যে সৌদি আরব ও আফ্রিকা থেকে তাবলিগের মুরুব্বিরা ময়দানে উপস্থিত হয়েছেন। সকাল থেকে স্থানীয় মুরুব্বিরাও বয়ান করছেন। পরবর্তীতে মাশোয়ারার ভিত্তিতে আগত আলেমগণ বয়ানের মাধ্যমে দ্বীনের দাওয়াতে উদ্বুদ্ধ করবেন।

শীত উপেক্ষা করে বিশাল আয়তনের এ মাঠে দূর-দূরান্ত থেকে আসা হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি শামিয়ানার নিচে অবস্থান নেন। এখানে ১২টি খিত্তার নিচে একসঙ্গে ৫০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। 

আয়োজকরা জানিয়েছে, বুধবার (২৪ নভেম্বর) সকাল থেকেই রংপুর জেলাসহ আশপাশের এলাকা থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষ ইজতেমা ময়দানে সমবেত হতে শুরু করেছেন। এখানে রংপুর মহানগর ও সদর উপজেলাসহ তারাগঞ্জ, বদরগঞ্জ, গঙ্গাচড়া, মিঠাপুকুর, পীরগঞ্জ, পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলার তাবলিগ জামাতের অনুসারীরা ছাড়াও বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা আসছেন। 

ইজতেমায় অংশ নেওয়া বিদেশি মেহমান, মুরব্বি এবং মুসল্লিদের সেবায় ৪ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া দূরের মুসল্লিদের পরিবহন রাখার জন্য গ্যারেজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠের আশপাশে শতাধিক খাবারের দোকান বসানো হয়। সহস্রাধিক বাথরুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

ইজতেমা মাঠসহ আশপাশের এলাকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবীরা নিরাপত্তা গড়ে তুলেছেন। র‌্যাব, পুলিশ, আনসার, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাসহ পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে চার স্তরের নিরাপত্তা-ব্যবস্থা রয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরাও।