• বুধবার   ১৯ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ৬ ১৪২৮

  • || ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সর্বশেষ:
সেবা নিতে এসে কোনো মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন- ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুরে বইছে শৈত্যপ্রবাহ ‘শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার’ ডিমলায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবক আটক বিরলে ট্রাক্টরের ধাক্কায় পল্লি চিকিৎসক নিহত

রংপুরে এখন মঙ্গা নেই, উন্নয়ন দৃশ্যমান: বাণিজ্যমন্ত্রী

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৬ ডিসেম্বর ২০২১  

একসময়ের মঙ্গা কবলিত রংপুর অঞ্চলের নানামুখী উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, রংপুর অঞ্চল একসময় পিছিয়ে ছিল, এখন আর পিছিয়ে নেই। মঙ্গা কাটিয়ে দেশের উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রংপুরও এগিয়ে যাচ্ছে। রংপুরের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান।

তিনি বলেন, রংপুরে পাইপে গ্যাস সররাহের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে, অল্প সময়ের মধ্যে তা শেষ হবে। এ অঞ্চলে বেশ কয়েকটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ চলছে। প্রায় সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তিস্তা নদীর দু’ধারে উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে।

রোববার (৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে রংপুর বিভাগীয় সাংবাদিক সমিতি (আরডিজেএ) আয়োজিত “আরডিজেএ-এর প্রয়াত সদস্যের সন্তানদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রংপুরে শিল্প কলকারখানা গড়ে তোলা হচ্ছে। উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে নদীপথে মালামাল আনা-নেওয়ার জন্য বন্দর গড়ে তোলা হয়েছে। জলযান চলাচলের সুবিধার্থে নদীর নাব্য বাড়ানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, কুড়িগ্রামে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার কাজ চলছে, সংসদে এ সংক্রান্ত বিল পাস হয়েছে। সৈয়দপুরকে আমরা আঞ্চলিক বিমানবন্দর হিসেবে গড়ার কাজ করছি। ভুটান ও নেপাল এ বিমানবন্দর ব্যবহার করবে। প্রতিদিন সৈয়দপুরে ১৫-১৬টি ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, এ অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। রংপুর অঞ্চলের মানুষ সাধারণ থেকেও অনেক অসাধারণ কাজ করছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রংপুরও এগিয়ে যাচ্ছে।

টিপু মুনশি বলেন, একসময় রংপুর অঞ্চলের মানুষকে ছোট করে দেখা হতো, এখন সে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। মানুষ এখন রংপুর অঞ্চলের মানুষের প্রশংসা করে। এ অঞ্চলে এখন মঙ্গা নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলে থাকাবস্থায় রংপুর সফরকালে বলেছিলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে রংপুর অঞ্চলের মঙ্গা শেষ করবো। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে আজ তা-ই হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রয়াত সাংবাদিকদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি প্রদান একটি মহতি কাজ। চলমান প্রতিযোগিতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে আমরা মানবিক দিক ভুলে যাই। আজ আপনারা প্রয়াত সহকর্মী সাংবাদিকদের স্মরণ রেখেছেন, তাদের সন্তানদের নিয়ে চিন্তা করছেন, এটি একটি বিশাল কাজ।

আরডিজেএ সভাপতি মোকছুদার রহমান মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাবেক সভাপতি শফিকুল করিম সাবু, নাজমুল হক সরকার, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আরডিজেএ’র সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান।