• বুধবার   ৩০ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৯

  • || ০৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
ক্ষমতায়ন ছাড়া সমাজে নারীর অবস্থান উন্নত হবে না: প্রধানমন্ত্রী অপপ্রচারকারীদের কনস্যুলার সেবা দেবে না কানাডার বাংলাদেশ মিশন ‘দেশের ফুটবল দলকে বিশ্বকাপের উপযোগী করতে কাজ চলছে’ ট্রেনের ধাক্কায় ইউএনও অফিসের নৈশপ্রহরীর মৃত্যু ‘পলিথিন প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে’

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ১৬ জেলায় ধান উৎপাদন বৃদ্ধি

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২২  

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ১৬ জেলায় ধান উৎপাদন বৃদ্ধি                    
দেশের উত্তর অঞ্চলের প্রথম দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে চলতি বছর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকায় উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে চলতি বছর উত্তর অঞ্চলের ১৬টি জেলায় কৃষি ও শিল্প খাতে উৎপাদন বাড়াতে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত থাকায় উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় ৩ কোটি হেক্টর জমিতে ইরি বোরো ধান চাষে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। 

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ১৯৯৪ সালে উদ্বোধন করা হয়। এই খনির উৎপাদিত কয়লা দিয়ে দেশের প্রথম ২৫০ মেগাওয়াট ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ২টি ইউনিট ২০০৩  সালের ২৩ এপ্রিল স্থাপিত হয়। এই ইউনিট দুটি থেকে চাহিদা মাফিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। ২৮২ একর জমির উপর নির্মিত ৩টি ইউনিটে প্রতি দিন ৯ হাজার মেট্রিক টন কয়লা জ্বালানি খাতে ব্যয় হচ্ছে। অপর দিকে ২০১৬ সালে ৩য় ইউনিট নির্মাণের পর থেকে চালু করা হয়। বর্তমান ২নং ও ৩ নং ইউনিট থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।

উত্তরাঞ্চলের ভারী শিল্প, মাঝারি শিল্প ও আগামীতে আমন মৌসুমে বিদ্যুতের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। যাতে কোনোভাবে বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা না দেয়।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী এসএম ওয়াজেদ আলী সরকার বলেন, ২০২০ সালে যোগদান করার পর বিদ্যুৎ উৎপাদনে তার প্রচেষ্টায় ৩টি ইউনিট নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার চেষ্টা করছি। বর্তমানে ২টি ইউনিট সচল রয়েছে। একটি ইউনিট অসচল রয়েছে । সেটাও মেরামত করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো চালু রেখেছেন। যার ফলে মানুষ এখন আর বিদ্যুৎ এর জন্য হাহাকার করে না।

তিনি আরো বলেন, চীনা কোম্পানি এবং তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দক্ষ প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিতে নিরলস পরিশ্রম করছেন। তাদের এই প্রচেষ্টায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাচ্ছে উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলা।