• শনিবার   ২৫ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১১ ১৪২৯

  • || ২৪ জ্বিলকদ ১৪৪৩

সর্বশেষ:
পদ্মাসেতুর উদ্বোধন বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক দিন- প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ পরই স্বপ্ন ছোঁয়ার মাহেন্দ্রক্ষণ ঢাক-ঢোল পিটিয়ে সভাস্থলে আসছেন মানুষ পদ্মাসেতু মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস এনে দিয়েছে: রাষ্ট্রপতি পদ্মাসেতু নির্মাণে সেনাবাহিনী পদ্মাসেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশকে ভারতের অভিনন্দন

মনি এখন সফল নারী উদ্যোক্তা!

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৯ মার্চ ২০২২  

নীলফামারী ডোমার উপজেলার সোনারায়ের বাসিন্দা মোহসেনা চৌধুরী মনি। নিজের ইচ্ছে শক্তিকে সঠিক ভাবে কাজে লাগিয়ে হয়ে ওঠা এক সফল নারী উদ্যোক্তা। ২০১০ সালে স্বামীর ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে মায়ের থেকে শেখা সেলাইয়ের কাজকে আকড়ে ধরে প্রবল ইচ্ছাশক্তির থেকেই যাত্রা শুরু করেন মনি। এরপর কেটে গেছে দশটি বছর। ৬০ জন নারী কর্মীকে নিয়ে তিনি আজ একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। শুরুতে বাজার থেকে বিভিন্ন ধরনের কাপড় কিনে তাতে নিজ হাতে সেলাই করে তৈরী করতে লাগলেন শাড়ি, থ্রী পিছ, ম্যাক্সি, বিছানার চাদর, সোফার কুশন, পর্দা ও শাল। তার পর থেকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি এই মনিকে।

মনি জানান, ব্যবসায়ী নুর আলম চৌধুরী হৃদয় সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন ২০০৭ সালে। ২০১০ সালে স্বামীর ব্যবসায় লোকসান হলে, ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার পরিবার। স্বামীর ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হবার পর সংসারে অভাব যেন ছিল নিত্য দিনের সঙ্গী। ভেবেছিলেন অভাবের সংসারের হাল ধরতে তাকেও কিছু একটা করতে হবে। কিন্তু কি করবেন তিনি কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলেন না। শেষে মায়ের কাছে শেখা সেলাই আকড়ে ধরিই আজ তিনি সফল।

সুন্দর ডিজাইন ও রুচি বোধের কারণে খুব অল্প দিনেই আশেপাশে প্রচার পেয়ে যায় মনির হাতের কাজের তৈরি কাপড়। মানুষও দুই একটা করে ক্রয় করা শুরু করলেন। বিক্রির পরিধি বেড়ে গেলে। নিজে কুলাতে না পেরে কাজ জানা ও না জানা কিছু মহিলাকে প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজে বসিয়ে দেন। আর এভাইে কেটে গেলো তার দশটি বছর। এখন মনির অধীনে প্রায় ৬০জন কর্মী নিয়মিত কাজ করেন। এতে কর্মীদের মুজুরী দিয়ে প্রতি মাসে প্রায় ৩০ হাজার টাকা আয় হয় তার।

মনি আরও বলেন, অভাব থেকে এই কাজে আসা। যতটা আশা করেছিলাম তার থেকেও বেশি পেয়েছি। এতজনকে কর্মসংস্থান এর সুযোগ করে দিতে পেরে আনন্দিত আমি। একটু সরকারি সহযোগীতা পেলে একটি শো-রুম ও কারখানা তৈরী করে আরো বেশি কর্মসংস্থান করার চেষ্টা করতাম।

মনির কাছে প্রশিক্ষন নিয়ে কাজ করে সংসারে সহযোগীতা করতে পেরে খুশি এলাকার অবহেলিত ও দরিদ্র নারীরা। সংসারের হাল ধরতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছেন বলে জানান মনির ক্ষুদ্র কারখানার কর্মীরা।
কে/