• শনিবার   ২৫ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১১ ১৪২৯

  • || ২৪ জ্বিলকদ ১৪৪৩

সর্বশেষ:
পদ্মাসেতুর উদ্বোধন বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক দিন- প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ পরই স্বপ্ন ছোঁয়ার মাহেন্দ্রক্ষণ ঢাক-ঢোল পিটিয়ে সভাস্থলে আসছেন মানুষ পদ্মাসেতু মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস এনে দিয়েছে: রাষ্ট্রপতি পদ্মাসেতু নির্মাণে সেনাবাহিনী পদ্মাসেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশকে ভারতের অভিনন্দন

মানুষের মুক্তির দূত হয়ে দেশে ফেরেন শেখ হাসিনা: নানক

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৮ মে ২০২২  

জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে খুনিদের অভয়ারণ্য হিসেবে সৃষ্ট বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির দূত হয়ে দেশের মাটিতে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ফিরেছিলেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক। বুধবার শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে যখন বাংলাদেশ খুনিদের এক অভয়ারণ্য সৃষ্টি হয়েছিল ঠিক তখনই মানুষের মুক্তির দূত হয়ে দেশের মাটিতে পদার্পণ করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

তিনি আরো বলেন, কী অপরাধে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল? সেই সময় শেখ হাসিনা চিৎকার করে কাঁদতেও পারেননি। কারণ একদিকে খুনি মোস্তাক ও জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে খুনিদের এক অভয়ারণ্য সৃষ্টি হয়েছিল। অন্যদিকে, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী গোলাম আযম এবং কাদের মোল্লাদের গুম, খুনের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছিল বাংলাদেশ। জিয়াউর রহমান সেদিনও শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে আসতে বাধা দিয়েছিল। কিন্তু সাহসী নেত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘আমি দেশে ফিরে যাবোই, মৃত্যু যদি হয়, বাংলাদেশের মাটিতেই আমার মৃত্যু হবে।’

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন,১৯৮১ সালের ১৭ মে ঠিক বিকেল সাড়ে ৪টায় বাংলা এবং বাঙালি জাতির মুক্তির আলোকবর্তিকা নিয়ে দেশের মাটিতে শুভ পদার্পণ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। সেদিন ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দেশে ফিরে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, আমি মা-বাবা-ভাই-বোন সব হারিয়েছি, আপনারাই আমার আপনজন। আমি এসেছি, পিতা হত্যার বিচার চাইতে। আমি এসেছি, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। এজন্য যদি আমার মৃত্যু হয়, আমি সেই মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে নেব।